২০১৫ সালে ছাত্রদলের নেতা নুরুজ্জামান জনিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তুলে নিয়ে যান—

পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, আটকের সময় জনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন এবং জীবন ভিক্ষা চান। তিনি রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর কথাও বলেন বলে অভিযোগ করা হয়। পরিবার জানায়, এক মাস পর তাঁর প্রথম সন্তানের জন্ম হওয়ার কথা ছিল।
অভিযোগ অনুযায়ী, পরে জনিকে গুলি করে হত্যা করা হয়। তাঁর শরীরে একাধিক গুলির চিহ্ন পাওয়া যায়। একটি মানুষকে হত্যার জন্য একটি গুলিই যথেষ্ট—এমন মন্তব্য করেন স্বজনেরা। এ ঘটনায় তৎকালীন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কয়েকজন সদস্যের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ ওঠে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে তখন ভিন্ন বক্তব্য দেওয়া হয়। তবে ঘটনাটি নিয়ে এখনো জনির পরিবার ন্যায়বিচার পায়নি বলে তাদের দাবি। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মতে, এ ধরনের ঘটনা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলে।
ঘটনার প্রায় এক দশক পেরিয়ে গেলেও নুরুজ্জামান জনির মৃত্যুর স্মৃতি ও বিচার দাবি এখনো ভুলে যায়নি তার পরিবার ও স্বজনেরা।
রিপোর্টার: Admin মাহবুব আলম জুয়েল
ক্যাটাগরি: দেশের খবর
