সুন্দরবনে বন্দুকযুদ্ধের পর অস্ত্র-গুলিসহ করিম-শরীফ বাহিনীর ৩ দস্যু আটক

মোঃ শাহীন হাওলাদার
সুন্দরবনের জলদস্যু ও বনদস্যু দমনে বড় ধরনের সাফল্য পেয়েছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। টানা দুই দিনের রুদ্ধশ্বাস অভিযান ও বন্দুকযুদ্ধের পর সুন্দরবনের শ্যালা নদীর মরা চানমিয়া খাল এলাকা থেকে কুখ্যাত ‘করিম-শরীফ বাহিনী’র ৩ সক্রিয় সদস্যকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৪টি আগ্নেয়াস্ত্র, বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ও ওয়াকিটকি উদ্ধার করা হয়।শুক্রবার (১৫ মে) কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন সদর দপ্তরে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেন কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন ও লেফটেন্যান্ট ইকরা মোহাম্মদ নাসিফ।
আটককৃতরা হলেন— বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার মো. মেহেদী হাসান (২৫), মো. রমজান শরীফ (১৯) এবং ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার মো. এনায়েত (২৫)।কোস্ট গার্ড জানায়, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করতে ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ ও ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, করিম-শরীফ বাহিনীর সদস্যরা শরণখোলা উপজেলার শ্যালা নদীর মরা চানমিয়া খাল এলাকায় অবস্থান করছে।খবর পেয়ে গত বুধবার (১৩ মে) বিকেল ৫টা থেকে কোস্ট গার্ড বেইস মোংলা ও স্টেশন কোকিলমনি যৌথভাবে বিশেষ চিরুনি অভিযান শুরু করে। টানা দুই দিনের অভিযানের একপর্যায়ে কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে দস্যুরা অতর্কিতে গুলি ছুড়তে শুরু করে। আত্মরক্ষার্থে কোস্ট গার্ড সদস্যরাও পাল্টা গুলি চালায়। উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র বন্দুকযুদ্ধের পর কোস্ট গার্ডের কঠোর প্রতিরোধের মুখে দস্যুরা পিছু হটে পালানোর চেষ্টা করলে ধাওয়া দিয়ে ৩ সদস্যকে অস্ত্রসহ আটক করা হয়।অভিযান শেষে দস্যুদের কাছ থেকে ৩টি একনলা বন্দুক, ১টি দেশীয় পিস্তল, ৪৯ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ১৮৭ রাউন্ড এয়ারগানের গুলি, ২টি ওয়াকিটকি ও ৪টি ওয়াকিটকি চার্জার উদ্ধার করা হয়।
এর আগে একই বাহিনীর জিম্মিদশা থেকে বন বিভাগের সহায়তায় ৪ জেলেকে উদ্ধার করে কোস্ট গার্ড।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা স্বীকার করেছে, তারা দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনে মাছ ধরার ট্রলার ও জেলে-বাওয়ালিদের জিম্মি করে ডাকাতি ও মুক্তিপণ আদায়ের সঙ্গে জড়িত ছিল।কোস্ট গার্ডের কর্মকর্তারা জানান, আটক দস্যুদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। সুন্দরবনকে সম্পূর্ণ দস্যুমুক্ত না করা পর্যন্ত বনদস্যু ও তাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। বন্দুকযুদ্ধের পর অস্ত্র-গুলিসহ করিম-শরীফ বাহিনীর ৩ দস্যু আটক
নিজস্ব প্রতিবেদন
সুন্দরবনের জলদস্যু ও বনদস্যু দমনে বড় ধরনের সাফল্য পেয়েছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। টানা দুই দিনের রুদ্ধশ্বাস অভিযান ও বন্দুকযুদ্ধের পর সুন্দরবনের শ্যালা নদীর মরা চানমিয়া খাল এলাকা থেকে কুখ্যাত ‘করিম-শরীফ বাহিনী’র ৩ সক্রিয় সদস্যকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৪টি আগ্নেয়াস্ত্র, বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ ও ওয়াকিটকি উদ্ধার করা হয়।শুক্রবার (১৫ মে) কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন সদর দপ্তরে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেন কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন ও লেফটেন্যান্ট ইকরা মোহাম্মদ নাসিফ।
আটককৃতরা হলেন— বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার মো. মেহেদী হাসান (২৫), মো. রমজান শরীফ (১৯) এবং ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার মো. এনায়েত (২৫)।কোস্ট গার্ড জানায়, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করতে ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ ও ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়, করিম-শরীফ বাহিনীর সদস্যরা শরণখোলা উপজেলার শ্যালা নদীর মরা চানমিয়া খাল এলাকায় অবস্থান করছে।খবর পেয়ে গত বুধবার (১৩ মে) বিকেল ৫টা থেকে কোস্ট গার্ড বেইস মোংলা ও স্টেশন কোকিলমনি যৌথভাবে বিশেষ চিরুনি অভিযান শুরু করে। টানা দুই দিনের অভিযানের একপর্যায়ে কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে দস্যুরা অতর্কিতে গুলি ছুড়তে শুরু করে। আত্মরক্ষার্থে কোস্ট গার্ড সদস্যরাও পাল্টা গুলি চালায়। উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র বন্দুকযুদ্ধের পর কোস্ট গার্ডের কঠোর প্রতিরোধের মুখে দস্যুরা পিছু হটে পালানোর চেষ্টা করলে ধাওয়া দিয়ে ৩ সদস্যকে অস্ত্রসহ আটক করা হয়।অভিযান শেষে দস্যুদের কাছ থেকে ৩টি একনলা বন্দুক, ১টি দেশীয় পিস্তল, ৪৯ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ১৮৭ রাউন্ড এয়ারগানের গুলি, ২টি ওয়াকিটকি ও ৪টি ওয়াকিটকি চার্জার উদ্ধার করা হয়।
এর আগে একই বাহিনীর জিম্মিদশা থেকে বন বিভাগের সহায়তায় ৪ জেলেকে উদ্ধার করে কোস্ট গার্ড।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা স্বীকার করেছে, তারা দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবনে মাছ ধরার ট্রলার ও জেলে-বাওয়ালিদের জিম্মি করে ডাকাতি ও মুক্তিপণ আদায়ের সঙ্গে জড়িত ছিল।কোস্ট গার্ডের কর্মকর্তারা জানান, আটক দস্যুদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। সুন্দরবনকে সম্পূর্ণ দস্যুমুক্ত না করা পর্যন্ত বনদস্যু ও তাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
রিপোর্টার: Admin মাহবুব আলম জুয়েল
ক্যাটাগরি: দেশের খবর
